বান্দরবানে জাল স্বাক্ষর ও নথি ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনে অভিযোগের উটিংওয়ং মার্মাকে সাময়িক বরখাস্ত
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন

বান্দরবানে জাল স্বাক্ষর ও নথি ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনে অভিযোগের উটিংওয়ং মার্মাকে সাময়িক বরখাস্ত

বান্দরবানে জাল স্বাক্ষর ও নথি ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনে অভিযোগের উটিংওয়ং মার্মাকে সাময়িক বরখাস্ত
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানে সরকারি চেক জালিয়াতি করে ৮০ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কটন ইউনিট অফিসার উটিংওয়াং মার্মাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করে ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়।


বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক পরিশোধকৃত তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাসিক বেতনের চেক জালিয়াতি করে অর্থ উত্তোলন করা হয়। এদিকে চেক জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের অপরাধ স্বীকার করে একটি জমাবন্দি প্রদান করেন কটন ইউনিট অফিসার উটিংওয়াং মার্মা।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মচারী বলেন, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা ও উত্তোলনের সময় অবশ্যই মুঠোফোনে এসএমএস'র মাধ্যমে প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা বিষয়টি ব্যাপারে জানার কথা। বিভিন্ন তথ্য সুত্র অনুসারে জানা যায় প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন মৃধা যোগসাজশে চেক জালিয়াতি করে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সাথে সম্পূর্ণ জড়িত ও তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা সজীব সরকার ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে  অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাসিক বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে। মাসিক বেতন না পেয়ে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বেতন না পেয়ে কেউ কেউ ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছেন।


তুলা উন্নয়ন বোর্ড অফিসের সূত্রে জানা গেছে, উটিংওয়াং মারমা জোনাল কার্যালয়ে কটন ইউনিট অফিসার হলেও সম্প্রসারণ শাখায় কর্মরত। জনবল সংকটের কারণে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে হিসাব শাখায় ছিলেন। ২০১৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মাঠে সম্প্রসারণ পাশপাশি হিসাব শাখায় প্রায় ৭ বছর দায়িত্বে ছিলেন। তখন বিভিন্ন বিলের টাকা ও ট্রেজারী খরচের কথা বলে বান্দরবান জেলা পরিষদকে ব্যবহার করে চলতো অনিয়ম আদায় করতো পিসি। প্রধান তুলা কর্মকর্তার কাছে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়লে সাময়িকভাবে হিসাব শাখা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। পরে চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক এএইচ কায়কোবাদ সুপারিশে আবার ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত হিসাব শাখায় দায়িত্ব দেওয়া হয়। হিসাব শাখায় ফের দায়িত্ব পাওয়ার পর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের জোনাল কার্যালয়ের বিভিন্ন বিল ও কর্মচারীদের বেতন প্রাপ্ত জেলা পরিষদের ট্রেজারী চেক জালিয়াতি করে সরকারী টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়ম ধরা পড়ে। জেলা পরিষদের ট্রেজারী চেক জালিয়াতি করে পর পর ৪টি চেকের মাধ্যমে ৮০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। পরে পঞ্চম চেকটি গত ০৩ মার্চ কর্মচারীদের বেতন বিলের বিপরীতে ১ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা পরিবর্তে ৫১ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা চেক জালিয়াতি করতে গিয়ে জেলা হিসাব রক্ষণ কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার কাছে ধরা পড়েন। তারপর বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ উটিংওয়াং মারমা জমাবন্দি প্রেক্ষিতে তার বাড়ি থেকে নগদ ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে। যা জেলা পরিষদ সাময়িক বরখাস্ত আদেশে উল্লেখ রয়েছে।


গোপন সূত্রে আরও জানা যায়, ১০ তম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তার হয়েও বিগত ৭ বছরে হয়েছেন বিপুল সম্পদের মালিক। ৪২ লক্ষ টাকায় কিনেছেন শহরের উজানি পাড়া এলাকায় ২.৫ শতক জমি ও পুরবী বার্মিজ মার্কেটে তার নামে লক্ষ টাকার দোকানের ৯নং প্লট এবং বিশাল কাপড়ের দোকান। বিভিন্ন সময়ে দোকানের প্লটটি তার ভাইসুর কাস্টম যুগ্ন কমিশনারের বলে এসেছেন।  


বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পক্ষে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন মৃধা স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। এই ঘটনার পর সরকারি অর্থ আত্মসাতের বিরুদ্ধে  কঠোর অবস্থান নেওয়ায় স্থানীয় দপ্তরে  চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।


অভিযোগের বিষয়ে উটিংওয়াং মার্মার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকটি প্রশ্ন করা হলেও তিনি কোন উত্তর দেননি।


বান্দরবান জেলা তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: আলমগীর হোসেন মৃধা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে  চেক জালিয়াতি  প্রমাণিত হয়েছে  তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলতে পারব।


এদিকে বিভিন্ন সচেতন মহলের মনে প্রশ্ন, চেক জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের পর সরকারী চাকুরী বিধিমালা অনুসারে তাহার চাকুরী থাকার কথা নয়,শুধু মাত্র কারণ দর্শানো নোটিশ ও বিভাগীয় মামলা রজু করে কর্তৃপক্ষ দায়সারা করতে চাচ্ছে। এটি সরকারি টাকা আত্মসাৎ ও আচরণ বিধিমালা অনুসারে ফৌজধারী অপরাধের সামিল।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।