বান্দরবানের ঘুমধুমে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধ বার্মিজ গরুর হাট: গরুর সাথে মিয়ানমার থেকে আসছে ইয়াবা...
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন

বান্দরবানের ঘুমধুমে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধ বার্মিজ গরুর হাট: গরুর সাথে মিয়ানমার থেকে আসছে ইয়াবার চালান

বান্দরবানের ঘুমধুমে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধ বার্মিজ গরুর হাট: গরুর সাথে মিয়ানমার থেকে আসছে ইয়াবার চালান
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের নেতা ও ইয়াবা ব্যবসার গডফাদার সৈয়দুল বশরের নেতৃত্বে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসানো হয়েছে অবৈধ বার্মিজ গরুর হাট। প্রশাসনের কোনো বাধা না থাকা ও রহস্যজনক নীরব ভূমিকার কারণে মিয়ানমার থেকে হাজার হাজার গরু অবৈধভাবে এপারে এনে এই হাট বসানো হয়েছে। এই গরুর হাট বসানোকে কেন্দ্র করে গতকাল থেকে কয়েক দফা ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছে। প্রশাসনের বাধা ছাড়া মিয়ানমার থেকে গরুর পাশাপাশি আসছে ইয়াবাসহ মাদকের চালান। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ ও আতঙ্কিত স্থানীয়রা।

জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ও ইয়াবা কারবারের গডফাদার সৈয়দুল বশরের নেতৃত্বে ঘুমধুম প্রবেশপথে টিভি টাওয়ার এলাকায় বসানো হয় বিশাল বার্মিজ গরুর বাজার। এই বাজার থেকে ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে অবৈধ বার্মিজ গরুর চালানকে বৈধতা দিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে সারা দেশে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মূলত গরু ব্যবসার আড়ালে চালানো হয় ক্যাশ মেমো বিক্রি ও ইয়াবা কারবার। গরুর চালানের মাধ্যমে পাচার করা হচ্ছে ইয়াবার বিশাল বিশাল চালান। প্রতি বছর গরুর হাটের মাধ্যমে যুবলীগ নেতা সৈয়দুল বশরের আয় ৫০ কোটি টাকারও ওপরে।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহেদুল ইসলাম, কোরবান আলী ও আহমদ নবী জানিয়েছেন, যুবলীগ নেতা সৈয়দুল বশর বিগত বেশ কয়েক বছর বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে অস্থায়ী গরুর বাজার ইজারা নিয়ে এই ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা কারবার চালিয়ে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। গরুর হাটের আড়ালে ইয়াবা পাচারসহ নানাবিধ অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ তার এই গরুর হাট ইজারা চুক্তি বাতিল করে। পুনরায় গরুর বাজার ইজারা চুক্তি পেতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও নাগরিক পরিষদ নেতার মাধ্যমে ৭৬ লাখ টাকার বিনিময়ে লবিং চালিয়ে ব্যর্থ হয় যুবলীগ নেতা সৈয়দুল বশর। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে গরুর হাট বসানোয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তারা। তারা আরও জানান, গরুর বাজারের পাশেই রয়েছে পুলিশ ক্যাম্প এবং তার একটু পরেই বিজিবির চেকপোস্ট। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে অদৃশ্য কারণে নীরব রয়েছে তারা। তাছাড়া এই কারবারের গডফাদার সৈয়দুল বশর নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের ঘুমধুম ইউনিয়নের সভাপতি। বিগত ১৭ বছর তার নেতৃত্বে চালানো হয়েছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর বর্বর নির্যাতন। গত ৫ আগস্টের পর থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা প্রশাসনের ভয়ে আত্মগোপনে চলে গেলেও সৈয়দুল বশর এলাকায় প্রকাশ্যে অবস্থান করে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সৈয়দুল বশর এই প্রতিবেদককে জানান, "আমিসহ স্থানীয় আরও তিনজন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে গরুর বাজার লিজ পেতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমার আগের লিজ চুক্তি ও নতুন আবেদন বাতিল করে। যেহেতু আমার আবেদন বাতিল করেছে, তাই অন্য দুই পক্ষকে যেন গরুর বাজার লিজ না দেওয়া হয় সেজন্য আমি বিভিন্ন মাধ্যমে লবিং চালিয়েছি। এতে আমি ৭৬ লাখ টাকা খরচ করেছি এবং আমি সফল হয়েছি।"

বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ সর্দার জানান, গরুর বাজারটি নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ আসছে। গরুর হাট না বসানোর কথা ছিল। আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে কী করা যায় দেখছি। বান্দরবান জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানান, "ঘুমধুমে অবৈধভাবে বার্মিজ গরুর বাজার বসানোর খবর পেয়েছি। আমি বিষয়টা দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইউএনওকে নির্দেশ দিয়েছি।"

উল্লেখ্য, গতকাল নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমার থেকে গরু ও ইয়াবার চালান পাচার করতে গিয়ে ল্যান্ডমাইন (স্থল মাইন) বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই স্থানীয় তিনজন নিহত হন। বিভিন্ন সময় সীমান্ত পথে গরু ও ইয়াবার চালান পাচার করতে গিয়ে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে প্রচুর স্থানীয় নাগরিক হতাহত হয়েছেন।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।