বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ এস এম মনজুরকে খুটাখালীর চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে চাই এলাকার সর্বস্তরের জনতা
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন

বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ এস এম মনজুরকে খুটাখালীর চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে চাই এলাকার সর্বস্তরের জনতা

বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ এস এম মনজুরকে খুটাখালীর চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে চাই এলাকার সর্বস্তরের জনতা
ছবি সংগৃহীত।

‎৯০' এর স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রামে কক্সবাজার জেলার মূখ্য সমন্বয়ক, চকরিয়া উপজেলা বিএন পির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক, চকরিয়া জিয়া পরিষদের আহ্বায়ক, কক্সবাজার জেলা বি এন পির  সদস্য, চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এবং  বিএনপির স্থায়ী কমিটির  সদস্য জননেতা  সালাহউদ্দিন আহমেদের বিশ্বস্ত সহচর  অধ্যক্ষ  এস. এম. মনজুরকে  আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে চাই খুটাখালী ইউনিয়নের  সর্বস্তরের জনসাধারণ।

‎  সর্মতকরা অধ্যক্ষ মনজুরকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার  লক্ষে  দীর্ঘ দিন ধরে খুটাখালীর  প্রতিটি গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় সভা সমাবেশ এর পাশাপাশি ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

‎এছাড়া তিনি নিজেও ব্যাপক গণ সংযোগসহ বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। 
‎পাশাপাশি জনগণের দু:খ লাঘবে নানা প্রয়াশ চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তা নয় দীর্ঘ বছর ধরে খুটাখালী ইউনিয়নের মানুষের অধিকার আদায়সহ এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া অবহেলিত খুটাখালীর দু:খ দূর্দশা দুর করতে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে লিখিত আবেদনও করেছেন। যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং হবে। 

‎  এলাকার হাজারো নেতা কর্মী অধ্যক্ষ এস এম মনজুর এর সাথে রয়েছেন  । নেতা কর্মীরা সাংবাদিকদেরকে বলেন দলের দু:সময়ের কান্ডারী গণ মানুষের আস্থাভাজন এবং সময়ের যোগ উপযোগী নেতা আমাদের সকলের এবং পুরো চকরিয়া উপজেলার মাটি ও মানুষের নেতা অধ্যক্ষ এস এম মনজুরকে  খুটাখালীর চেয়ারম্যান হিসাবে চাই। তারা আরো বলেন, ওনার মত সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি  চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে খুটাখালী মডেল ইউনিয়নে রুপান্তরিত হবে।

‎অপরদিকে অধ্যক্ষ মনজুর বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে  জেল জুলুমের পাশাপাশি নানা হয়রানীর শিকার হন। শুধু তা নয় তিনি হাসিনা সরকারের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়েছিলেন। বর্তমানেও তিনি থেমে নেই। প্রতিনিয়ত দলের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

‎দলের দূর্দিনের এ কান্ডারীকে এখন খুটাখালীর চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে মরিয়া  খুটাখালীর জনগণ। 
‎পূর্বপাড়া এলাকার ওমর ফারুখ, ডাক্তার এনামুল হক এ প্রতিবদেককে জানান,খুটাখালীর মানুষের একটাই প্রাণের দাবী অধ্যক্ষ মনজুরকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা। 
‎সরেজমিনে দেখা যায় বর্তমানে সাধারণ জনগণের জরিপে অধ্যক্ষ এস এম মনজুর ভোটের মাঠে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। যদিও এখনো নির্বাচনী তফসিল সরকার ঘোষণা করেননি। তবু এলাকার সর্বস্তরে চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও জল্পনা, কল্পনা। 




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।