মীরসরাইয়ে জামায়াতের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

মীরসরাইয়ে জামায়াতের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা

মীরসরাইয়ে জামায়াতের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা
ছবি সংগৃহীত।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গণ সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই উপজেলা শাখা।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে মীরসরাই সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল ও মীরসরাই আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট সাইফুর রহমান। 

উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নুরুল কবিরের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আনোয়ারুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্যে রাখেন, মীরসরাই পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ শিহাব উদ্দিন, উপজেলা বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হাফেজ একরামুল হক, ইসলামী ছাত্রশিবির মীরসরাই উপজেলা শাখার সভাপতি সাকিব হোসেন, শহর শাখার সভাপতি শরীফুল ইসলাম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হুদা প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে উপজেলার ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন অতিথিরা। এছাড়াও শহীদদের জন্য দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট সাইফুর রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো ঠিকই, কিন্তু এখনও পযন্ত আমরা স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করতে পারি নাই। আমরা বারবার হোচট খাচ্ছি, আমরা স্বাধীনতার পক্ষ এবং বিপক্ষ নিয়ে ভাগাভাগি করছি। একেকজন একেক সময়ে স্বাধীনতার সোল এজেন্ট দাবি করছে। কিন্তু ঘটনা পর্যালোচনা দেখা যায়, তাদের অনেক তৎপরতা স্বাধীনতা এবং দেশের বিরুদ্ধে। যদি আপনার তৎপরতায় স্বাধীনতার পক্ষে প্রমাণিত না হয়, তাহলে আপনি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হতে পারেননা। দেশ স্বাধীন হয়েছে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করার জন্য। ৫ আগস্টের পর যারা দখলদারিত্ব করেছে, জোর করে চাঁদা নিয়েছে, বালু মহাল দখল করেছে, মৎস্য প্রকল্প দখল করেছেন, বাজারের ইজারা পাওয়ার পরও জোর করে ৪০-৩০% পার্সেন্ট নিয়েছেন তারাই হচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী। এই নির্বাচনে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।’




চকরিয়ায় বাস-জিটু মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

চকরিয়ায় বাস-জিটু মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী জিটু গাড়ি ও এসি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদগাঁও থেকে চকরিয়াগামী একটি নাম্বারবিহীন যাত্রীবাহী জিটু গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাল-সবুজ রঙের একটি যাত্রীবাহী এসি বাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮০৯০) জিটু গাড়িটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে জিটু গাড়িটির ছাদ আলাদা হয়ে যায় এবং গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।


দুর্ঘটনায় জিটু গাড়িতে থাকা নয়জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে পাঠান।


চিকিৎসাধীন অবস্থায় মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মানাযায় খুটাখালী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা এলাকার  মৃত মতিউর রহমানের পুত্র

 মো.জসিম উদ্দিন (২৫), এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মারা যায় খুটাখালী নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের পুত্র মো. জিয়াবুল হক (২৫) । ঈদগাঁও পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র মো. রফিক (২৮),

চকরিয়া ফুলছড়ি সিয়ালপাড়া এলাকার

মৃত মঞ্জুর আলমের পুত্র মো. শাহেদ (২৭) ।


অন্যদিকে গুরুতর আহত জিয়াবুল হক (৪০), মো. সরোয়ার (১৯), সৈয়দ আলম (৫০) ও মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত সৈয়দ করিম (৩০) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়া ও আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।




দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসী হামলায় মিরসরাইয়ের যুবক নিহত

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসী হামলায় মিরসরাইয়ের যুবক নিহত
ছবি সংগৃহীত।

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মিরসরাইয়ের আবু ছালেক চৌধুরী টিপু নামে এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন। 

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটুরিয়া কুমাথলাঙ্গা শহরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি নিহত হন। 

তিনি মীরসরাই উপজেলার ১৫ নং ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়াড়র্ের তছি সরকারবাড়ীর মৃত আবু তাহের চৌধুরীর সেঝ ছেলে। তিনি ২ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক ছিলেন। 

নিহত টিপুর ভাতিজা রাব্বি চৌধুরী তুর্জয় বলেন, শুক্রবার বিকেলে আমার চাচ্চুকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটুরিয়া কুমাথলাঙ্গা শহরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীরা কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। গুলি চাচ্চুর মাথা ও হাতে লাগে। এসময় তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বিয়ে করেছেন। সেখানে তাঁর স্ত্রী, ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। চাচ্চু প্রায় ২৫ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় আছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে দেশে এসেছিলেন। লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় মীরসরাই এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।  

তিনি আরো বলেন, ২০০৬ সালে আমার ছোট চাচ্চু আবু সায়েম চৌধুরীকেও দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করেছিলো। ছোট চাচ্চুর আজ সেঝ চাচ্চুও চলে গেলেন।




ব্যালেট বক্সে যারা হাত দিবে তা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলা হবে- অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া

ব্যালেট বক্সে যারা হাত দিবে তা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলা হবে- অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমরা ভোটকেন্দ্র দখল করতে যাব না। যারা ভোটকেন্দ্র দখল করতে যাবেন তারা পরিবার থেকে বিদায় নিয়ে যাবেন। মা-বোন থেকে, ছেলে-মেয়ে থেকে শেষ সালাম নিয়ে যাবেন। আমরা কাউকে আঘাত করবো না, ব্যালেট বক্সে যারা হাত দিবে; তা রাখতে দিব না। শরীর থেকে হাত আলাদা করে ফেলা হবে। 

তিনি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মীরসরাই আসনে ১০ দলীয় ঐক্য সমর্থীত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে পৌর সদরের উষা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সমাবেশে প্রধান বক্তা জামায়াতে ইসলামী মনোনিত প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমান বলেন, ‘অনেক কষ্টের বিনিময়ে আমাদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক অর্জন করেছি। আপনারা জানেন এ দাঁড়িপাল্লা ছিল আমাদের দলের এমন এক প্রতীক, যেটা মানুষের কাছে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এদেশের মানুষ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে মুখিয়ে রয়েছে। আমরা বিজয়ের কাছাকাছি পৌঁছ গেছি,  এখন শুধু সময়ের বাকি।’

বাংলাদেশ শিক্ষক ফেডারেশন চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ মো. নুরের নবীর সভাপতিত্বে ও জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের আমীর নুরুল হুদা হামিদীর সঞ্চালনায় বিশেষ বক্তা ছিলেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক ফজলুল করিম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি, মোহাম্মদ ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন, মীরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমীর নুরুল কবির, সাবেক আমীর নুরুল করিম, এনসিপি নেতা অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম, খেলাফত মজলিস নেতা মফিজুল ইসলাম সিদ্দিকী, মীরসরাই উপজেলা শিবিরের সভাপতি মো. সাকিব হোসাইন।  

এর আগে দিনের শুরুতে প্রচার-প্রচারনার প্রথমদিন বাবার কবর জেয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গণসংযোগে নামেন জামায়াতের প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমান। দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রোগ্রাম করেন।