যানজট নিরসনে যাত্রাবাড়ী-সিটি গেট এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা: আমির খসরু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত একটি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের সভাপতি মাস্টার আবুল কাশেম ও সদস্যসচিব আইনজীবী আবুল হাসান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগে মন্ত্রীর বাসভবনে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।
মতবিনিময়কালে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর চাপ কমানো এবং সীতাকুণ্ডের যানজট নিরসনে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা হিসেবে সমুদ্র উপকূলীয় বেড়িবাঁধের ওপর মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে বড়দারোগারহাট থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের দাবিও তুলে ধরেন তাঁরা।
নাগরিক সমাজের এসব প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজট কমাতে যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মতবিনিময়কালে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মুহাম্মদ আবুল হাসনাত উপস্থিত ছিলেন।
পরে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও দাবি-দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্মারকলিপিতে বিশেষভাবে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির লাইন সীতাকুণ্ড পর্যন্ত সম্প্রসারণ, মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে উন্নত ও বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়।
সীতাকুণ্ডের দীর্ঘদিনের এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়গুলো উপস্থাপনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন নাগরিক সমাজের নেতারা।











