রামুতে ইউএনও'র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশে সরকারি রাস্তা দখল করে পরিবেশ দূষণ করার অভিযোগের ভিত্তিতে রামুতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কংক্রিট, ইট ও বালি অপসারনের জন্য এই অভিযান পরিচালনা করেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফানুল হক চৌধুরী।
দীর্ঘদিন যাবৎ রামু কলেজ গেইট থেকে তেচ্ছিপুল পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ইট, বালি ও কংক্রিট ভেঙে কার্যক্রম চালানোর কারণে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে উপজেলা প্রশাসন অবৈধভাবে কংক্রিট বিক্রেতাদের কাছ থেকে অর্থদণ্ড (জরিমানা) আদায় করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরফানুল হক চৌধুরী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, কক্সবাজারে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের শীত মৌসুমে নির্বিঘ্নে পর্যটন স্পটগুলো দেখা এবং জনসাধারণের পরিবেশগত সমস্যা এড়ানোর জন্য এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাস্তার পাশ থেকে সমস্ত ইট, কংক্রিট ও অবৈধভাবে গড়ে তোলা বালির মজুত সরানোর জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশ প্রদান করেছেন।
এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, বিগত বছরগুলোতে রাস্তার দুই পাশে ইট ও কংক্রিট ভাঙার কারণে অনেক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে চার-পাঁচজন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন এবং বহু লোক গুরুতর আহত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ধুলাবালির কারণে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারে না এবং পরিবেশ দূষিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই এই অভিযান একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে তাঁরা মনে করেন।
অভিযান পরিচালনাকালে রামু থানার পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।










