রামুতে র‍্যাবের অভিযানে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ১ আসামী গ্রেফতার
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন

রামুতে র‍্যাবের অভিযানে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ১ আসামী গ্রেফতার

রামুতে র‍্যাবের অভিযানে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ১ আসামী গ্রেফতার
ছবি সংগৃহীত।

দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার এবং দুর্ধ্বষ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র‌্যাবের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের বড় বড় সন্ত্রাসী দমন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, জলদস্যু-বনদস্যু দমন, চাঞ্চল্যকর অপরাধের রহস্য উদঘাটন এবং মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা। বিগত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে র‌্যাব সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তার এক নির্ভরযোগ্য প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
‎উক্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবং মাদকের মরণ ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করার প্রত্যয়ে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজারের রামু থানা এলাকায় একটি অত্যন্ত সফল অভিযান পরিচালনা করেছে।
‎২৩ জুন  রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন রাবার বাগান সংলগ্ন রাজ মহল হোটেলের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। 
‎উক্ত অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ওয়ারেন্টভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারি সোনা মিয়া (৪৫) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামি সোনা মিয়া (৪৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন কুতুবদিয়া পাড়া (পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া, ১নং ওয়ার্ড, কক্সবাজার পৌরসভা) মৃত নজির আহমদ এর ছেলে। সে একজন পেশাদার মাদক কারবারি এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
‎গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে তাকে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-১৫ এর এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে 




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।