রামুর ঈদগড় -ঈদগাঁও সড়কের ঢালা গুলোতে গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

রামুর ঈদগড় -ঈদগাঁও সড়কের ঢালা গুলোতে গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী

রামুর ঈদগড় -ঈদগাঁও সড়কের ঢালা গুলোতে গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী
ছবি সংগৃহীত।

‎কক্সবাজার রামুর ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের  হিমছড়ী ঢালা ও পানেরছড়া ঢালায় গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। 

‎সড়কের উল্লেখিত ঢালা গুলোতে জন্ম লগ্ন থেকেই ডাকাতি, ছিনতাই,খুন, অপহরণসহ নানা অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ঘটে চলছে। 

‎কোন ভাবেই তা প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। দিন কিংবা, সন্ধ্যা অথবা রাতে যখন তখন ডাকাতরা সড়কে চলাচলকৃত যাত্রীদের আটকিয়ে সব কিছু লুটে নিচ্ছে। 

‎শুধু তা নয় অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মুক্তিপন হিসাবে। 

‎অপরদিকে অনেককে ব্যাপক মারধর করে বেশ কয়দিন টাকার জন্য জঙ্গলে আটকিয়ে রাখে। 
‎এছাড়া উক্ত সড়কে ডাকাতের গুলিতে অনেকে নিহত হয়েছেন। আবার অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। 

‎উল্লেখ্য জনসাধারণের পাশাপাশি  পানেরছড়া ঢালায় ইতিপূর্বে ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পে দায়িত্বরত নায়ক সুশময় চাকমা ডাকাতের গুলিতে নিহত হন। 

‎ডাকাতি প্রতিরোধে ঈদগড় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সভা, সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে এলাকার সর্বস্তরের জন সাধারণ। এমনি সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সময় বেধে দেয় জন সাধারণ চলাচলের জন্য। এ সময়ে পুলিশও টহল দেয় ডাকাতি বন্ধ করার জন্য। 

‎যুগের পর যুগ ধরে ডাকাতের কবলে পড়ে ঈদগড়-ঈদগাঁও-বাইশারী এলাকার লোকজন সর্বস্ব হারাচ্ছে।  যা লিখে শেষ করা যাবে না। 
‎ইতিপূর্বে ঢালা গুলোতে পুলিশি ট্রেনিং সেন্টার, সেনাবাহীনি ক্যান্টনম্যান্ট করার কথা হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশ লোকজন। তাছাড়া এগুলো আদৌ বাস্তবায়ন হয় কিনা তা নিয়ে শংশয়  দেখা  দিয়েছে। 

‎সারাজনম আতংকে জীবন যাপন করছেন তিন ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। 
‎বিশেষ করে বর্তমানে সন্ধ্যা হলে নেমে আসে জন জীবনে চরম আতংক। 

‎এভাবে আর কত দিন, কতকাল,কত বছর এবং কত যুগ আতংকে দিন কাটাবে তাও কারো জানা নেই।  কবে নাগাদ এ সব থেকে মুক্তি পাবে লোকজন। কে বলতে পারবে। 

‎এলাকার সচেতন মহল মনে করেন ডাকাতি বন্ধে ঢালা গুলোতে অতিসত্বর গুচ্ছ গ্রাম  বসানো হউক।
 




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।