রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিতে উখিয়ায় অ্যাডভোকেসি সেশন
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিতে উখিয়ায় অ্যাডভোকেসি সেশন

রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিতে উখিয়ায় অ্যাডভোকেসি সেশন
ছবি সংগৃহীত।

 

কানাডা ফান্ড ফর লোকাল ইনিশিয়েটিভস (সিএফএলআই) ও সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি)-এর অর্থায়নে ‘রোহিঙ্গা অ্যাডভোকেসি সেন্টার’ (আরএসি) পাইলট প্রকল্পের আওতায় এ সেশনের আয়োজন করে ‘আমাদের সময়ের প্রতিধ্বনি ফাউন্ডেশন’ (এএসপি)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্যাম্প ইনচার্জ মো. আব্দুর রউফ বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়ন ও আগামীর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তাঁদের নিজস্ব কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করা অপরিহার্য। বিশেষ করে নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

এএসপি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর কাদের (অব.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দাতা সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডীয় হাই কমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সিলর মার্কাস ডেভিস, সিএফএলআই সমন্বয়কারী সামেয়া করিম এবং এসডিসির প্রোগ্রাম অফিসার তানবীর উ রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি ইফতেখার বাইজিদ।

অ্যাডভোকেসি সেশনে পাঁচটি ক্যাম্পের ৮০ জন রোহিঙ্গা প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রোহিঙ্গা মাঝি, ইমাম, শিক্ষক, যুবনেতা ও কিশোরীরা। গ্রুপ আলোচনার মাধ্যমে তাঁরা দক্ষতা বৃদ্ধি ও ক্যাম্পের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন। সভাপতির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর কাদের (অব.) বলেন, “রোহিঙ্গাদের সুপ্ত প্রতিভা ও স্বপ্নগুলো জাগিয়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
 




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।