লামার মানবিক দুই চিকিৎসক: চিকিৎসা সেবা ও উদারতায় মুগ্ধ সাধারণ মানুষ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

লামার মানবিক দুই চিকিৎসক: চিকিৎসা সেবা ও উদারতায় মুগ্ধ সাধারণ মানুষ

লামার মানবিক দুই চিকিৎসক: চিকিৎসা সেবা ও উদারতায় মুগ্ধ সাধারণ মানুষ
ছবি সংগৃহীত।

চিকিৎসাসেবাকে কেবল পেশা নয়, বরং ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে বান্দরবানের লামা উপজেলায় ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সোলেমান এবং চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ফরহাদ হোসেন।

দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালে নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা প্রদান ছাড়াও নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগীদের প্রতি তাদের সহমর্মিতা ও আন্তরিক আচরণ স্থানীয়দের মাঝে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সম্প্রতি লামা বাজারে অবস্থিত ডা. সোলেমানের ব্যক্তিগত চেম্বারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিনের মতো দূরদূরান্ত থেকে আসা অসংখ্য রোগী ভিড় জমিয়েছেন। রোগীদের সঙ্গে তাঁর আন্তরিক কথাবার্তা, ধৈর্য ধরে শারীরিক সমস্যা শোনার মানসিকতা এবং অমায়িক ব্যবহার সবাইকে মুগ্ধ করে।

চেম্বারে চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের প্রতি তাঁর বিশেষ সহানুভূতি লক্ষ্য করা যায়। রোগীর আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে তিনি অনেক অসহায় মানুষের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন ফি বা ভিজিট নেন না। প্রেসক্রিপশনের এক কোণে নীরবে ছোট করে ‘ফ্রি’ (F) চিহ্ন লিখে দেন, যাতে তাঁর সহকারী কোনো টাকা না নেন। কোনো প্রকার প্রচার-প্রচারণা ছাড়াই নীরবে-নিভৃতে গরিব ও দুস্থ রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান সময়ে যেখানে চিকিৎসার চড়া খরচে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যায়, সেখানে একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও ব্যক্তিগত চেম্বারে এমন মানবিক আচরণ সত্যিই বিরল। তাঁর এমন আন্তরিকতা ও মানবিক পদক্ষেপে স্বস্তি পাচ্ছেন পাহাড়ি এই জনপদের বহু দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসেন শত শত মানুষ। বিশেষ করে হতদরিদ্র, অসহায় ও অসচ্ছল রোগীরা যখন চিকিৎসার খোঁজে আসেন, তখন এই দুই মানবিক চিকিৎসক অত্যন্ত ধৈর্য ও সহানুভূতির সঙ্গে তাঁদের শারীরিক সমস্যার কথা শোনেন। রোগীর সঠিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজ সাধ্যমতো সবটুকু দিয়ে সহযোগিতা করতে পিছপা হন না তাঁরা।

চিকিৎসা নিতে আসা এক ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দা তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "তিনি শুধু একজন সরকারি চিকিৎসকই নন, বরং একজন প্রকৃত ভালো মনের মানুষ। অসহায় মানুষের বিপদে তাঁর পাশে দাঁড়ানো ও আন্তরিক ব্যবহার সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন আশা জাগায়। লামাবাসীর চিকিৎসাসেবায় তাঁর এই ভূমিকা সত্যিই অনুকরণীয় ও শ্রদ্ধার যোগ্য।"

স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সময়ে যখন স্বাস্থ্যসেবা পেতে মানুষকে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়, সেখানে ডা. সোলেমান ও ডা. ফরহাদ হোসেনের মতো মানবতাবাদী চিকিৎসকদের উপস্থিতি লামা উপজেলার মানুষের জন্য বড় একটি আশার আলো।

স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষ এই দুই মানবিক চিকিৎসকের দীর্ঘায়ু, সুস্থতা ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছেন; যেন এভাবেই আমৃত্যু সাধারণ ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যেতে পারেন তাঁরা।

তাঁদের মতো মানবিক চিকিৎসক প্রতিটি হাসপাতালেই তৈরি হোক—তবেই স্বাস্থ্যসেবার প্রকৃত সুফল পাবে দেশের সাধারণ মানুষ।




মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার মিরিঞ্জা পর্যটন এলাকায় অবস্থিত ‘মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ জোরপূর্বক দখল, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) লামার স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিসোর্টের অংশীদার মো. সুলতান মাহমুদের পক্ষে অপর অংশীদার জাফর মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, লামা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলিঙ্গারবিল এলাকার জাফর মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড় নুনারনবিল পাড়ার বাসিন্দা মো. সুলতান মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে “মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট” অংশীদারির ভিত্তিতে পরিচালনা করে আসছিলেন। পূর্বে জমির মূল মালিক দুলাল মিয়ার সঙ্গে জটিলতা নিরসন করে মো. রাসেল চৌধুরী নামক বিবাদী টাকা বুঝে নিয়ে অংশীদারত্ব থেকে সরে যান এবং বাদী শেয়ার বুঝে নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকেন। কিন্তু পরবর্তীতে রাসেল চৌধুরীসহ একটি চক্র রিসোর্টের অংশীদারত্ব দাবি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি শুরু করে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টায মো. রাসেল চৌধুরীর (সাবেক যুবলীগ নেতা) নেতৃত্বে শিশির স্বপন চাকমা, সঞ্জিতা চাকমা, মো. আরিফুল ইসলাম (ছাত্রলীগ নেতা), শাহাব উদ্দিন ও আলা উদ্দিনসহ ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সশস্ত্র ও সন্ত্রাসী দল অবৈধভাবে রিসোর্টে প্রবেশ করে। তারা পূর্বে দাবিকৃত ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায় এবং আনুমানিক ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকার ক্ষতিসাধন করে।

হামলায় বাধা দিলে তারা মো. সুলতান মাহমুদ ও জাফর মিয়াকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলাকারীরা ঘটনাস্থل থেকে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি মোবাইল (মূল্য ৪৫,০০০ টাকা), একটি অপো মোবাইল (মূল্য ৩৫,০০০ টাকা), নগদ ৭৫,০০০ টাকা এবং আধা ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি (মূল্য ১,০৭,০০০ টাকা) লুট করে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিবাদী রাসেল চৌধুরী রিসোর্টের ক্যাবল কেটে গলায় পেঁচিয়ে সুলতান মাহমুদকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বিতীয় দফায় পুনরায় রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তা জোরপূর্বক দখল করে নেয় এবং হুমকি দেয় যে চাঁদার টাকা না দিলে রিসোর্ট ফেরত দেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ৩টি দাবি জানানো হয়:

  • এজাহারভুক্ত প্রধান বিবাদী মো. রাসেল চৌধুরী ও শিশির স্বপন চাকমাসহ সব সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা।

  • জোরপূর্বক দখলকৃত ‘মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা।

  • ভুক্তভোগী ও তাঁদের সহযোগীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মো. রাসেল চৌধুরী (৩৫), শিশির স্বপন চাকমা (৫০) ও সঞ্জিতা চাকমাসহ (৪৫) ১২ জনের নাম উল্লেখ করে লামা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও রিসোর্টটি পুনরুদ্ধারে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

অভিযোগের বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাউছার হামিদ জানান, দোষী ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।




নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১০ হাজার ইয়াবা ও টমটমসহ ১ জন আটক

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১০ হাজার ইয়াবা ও টমটমসহ ১ জন আটক
ছবি সংগৃহীত।

১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়াপাড়া এলাকায় (ঘুমধুম পুলিশ তদন্তকেন্দ্র সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়) মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।

অভিযানকালে একটি সন্দেহজনক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ১ জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তি: কামাল উদ্দিন (৩০), পিতা: মৃত জাহেদ হোসেন, ঠিকানা: ক্যাম্প-২/ইস্ট, ব্লক-বি, এফসিএম-১৪১৯৪৬, উখিয়া, কুতুপালং, কক্সবাজার।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটক ব্যক্তি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাযোগে কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার দিকে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশের তল্লাশিতে তিনি আটক হন।

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।




গুইমারা রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী

গুইমারা রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার রামসু বাজারে সাম্প্রতিক ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গুইমারা রিজিয়নের সার্বিক সহায়তায় এবং সিন্দুকছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মাসব্যাপী যৌথ চিকিৎসাসেবা ও বহুমুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের আজ সফল সমাপ্তি ঘটেছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী, গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সব জোন কমান্ডার এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্য নিয়ে প্রধান অতিথি চারজন ব্যবসায়ীকে নতুন তৈরি দোকানঘর হস্তান্তর করেন। পাশাপাশি রামসু বাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত এক রোগীকে দোকানসামগ্রী ও চলাচলের সুবিধার্থে একটি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সুবিধার্থে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।

শিক্ষার প্রসারে এলাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিতে গুইমারা ও মানিকছড়ি উপজেলার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া এলাকার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

যুবসমাজকে কর্মমুখী করার প্রয়াসে বেকার যুবকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির ব্যবস্থা করাসহ মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে এলাকার প্রায় ১,২০০ জন সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক ও সর্বাত্মক পুনর্বাসন কার্যক্রম স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে বিশেষ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।