লামার সরই ইউনিয়ন, ভেঙেছে ব্রিজ ও মাদ্রাসা, ঝুঁকিতে বিদ্যুতের খুঁটি
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

লামার সরই ইউনিয়ন, ভেঙেছে ব্রিজ ও মাদ্রাসা, ঝুঁকিতে বিদ্যুতের খুঁটি

লামার সরই ইউনিয়ন, ভেঙেছে ব্রিজ ও মাদ্রাসা, ঝুঁকিতে বিদ্যুতের খুঁটি
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের লামা উপজেলার ৫নং সরই ইউনিয়ন একেবারে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সড়ক, সেতু, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মৎস প্রজেক্ট ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

​সরেজমিনে দেখা গেছে সরই ইউনিয়নের কেয়াজুপাড়া ৪নং ওয়ার্ডের বাজার পাড়া হতে পুলাং পাড়া যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার পাশের একাংশ ধসে পড়েছে। রাস্তা ভেঙে যাওয়ার কারণে সড়কের পাশে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে খুঁটিটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সচেতন সমাজের পক্ষে মো. সবুজ সরদার সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগকে অতি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানি বা বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

​এদিকে সরই ইউনিয়নের কিল্লাছড়া-বটতলী পাড়া হয়ে আন্ধারী যাতায়াতের একমাত্র সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ পানির তোড়ে ভেঙে গেছে। ব্রিজটি ভেঙে পড়ার পর থেকে ওই অঞ্চলের সাথে সম্পূর্ণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে ওই এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। জনদুর্ভোগ চরম আকারে পৌঁছানোয় সড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে সেতুটি সংস্কার বা বিকল্প যোগাযোগের ব্যবস্থা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

​ঢলের পানিতে মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত
​পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় 'মারকাযুল উলূম আল-ইসলামিয়া তাহফিযুল কুরআনুল কারীম মাদ্রাসা ও মসজিদ'। পানির তোড়ে মাদ্রাসার জায়গার মাটি ধসে গিয়ে শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে নার্সারি থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করে।

শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে চিন্তিত শিক্ষকরা।

​শুধু রাস্তাঘাট বা সেতুই নয়, ঢলের পানিতে তলিয়ে ও ভেসে গেছে সরই ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার বিভিন্ন প্রকার সবজি ক্ষেত। বন্যার পানিতে মাঠের পর মাঠ ফসল নষ্ট হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

​সব মিলিয়ে টানা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরই ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামো ও কৃষিখাত মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতু দ্রুত মেরামত এবং বিদ্যুৎ ঝুঁকি এড়াতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সরই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদুল হক রাসেল বলেন, টানা অতিবৃষ্টিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক, ফসলি জমি, দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেশ কিছু বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। তবে টানা বৃষ্টি শুরুর আগেই গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক মাইকিং ও সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। ফলে এখন পর্যন্ত সরই ইউনিয়নে পাহাড়ধস বা ভূমিধসজনিত কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১০০টি পরিবারের জন্য জনপ্রতি ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দের লক্ষ্যে তালিকা পাঠানো হয়েছে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।