লামায় ট্রাফিক আইন অমান্য করে চলছে অতিরিক্ত পণ্যবাহী তামাকের ট্রাক, বাড়ছে দুর্ঘটনা!
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন

লামায় ট্রাফিক আইন অমান্য করে চলছে অতিরিক্ত পণ্যবাহী তামাকের ট্রাক, বাড়ছে দুর্ঘটনা!

লামায় ট্রাফিক আইন অমান্য করে চলছে অতিরিক্ত পণ্যবাহী তামাকের ট্রাক, বাড়ছে দুর্ঘটনা!
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা-আলীকদম উপজেলায় সড়ক পরিবহন আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওভারলোড বা অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই করে প্রতিদিন চলছে শতাধিক তামাকবাহী ট্রাক। এসব ট্রাকে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি তামাকজাত পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি ঝুঁকি নিয়ে উপরে যাত্রী বসিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। ট্রাফিক বিভাগের শিথিলতা ও যথাযথ নজরদারির অভাবে সড়কে অনিয়ম এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কা তৈরি করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন তামাকবোঝাই বিশাল সব ট্রাক যাতায়াত করছে। ট্রাকের বডির বাইরেও বিপজ্জনকভাবে মালামাল ঝুলে থাকে এবং তার ওপর বসে ভ্রমণ করছেন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা ও ঢালু সড়কে এ ধরনের ওভারলোডিং যেকোনো সময় ট্রাক উল্টে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক বিভাগের সামনে দিয়ে এসব অনিয়ম ঘটলেও দৃশ্যত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনের ঢিলেঢালা নজরদারির সুযোগে ট্রাক মালিক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকসহ অন্য চালকরা আইন অমান্য করার সাহস পাচ্ছেন। বিশেষ করে তামাক মৌসুমে ট্রাকের এই দৌরাত্ম্য কয়েক গুণ বেড়ে যায়, যা সাধারণ পথচারী ও ছোট যানবাহনের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ট্রাফিক পুলিশসহ সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে চাঁদা দিয়ে এসব অতিরিক্ত পণ্যবোঝাই গাড়ি, লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, একটি পয়েন্টে গাড়িপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। তবে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী চালক, মালিক ও সাধারণ যাত্রীরা। অভিযোগ উঠেছে, সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ি থামিয়ে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় পরিবহন খাতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ:
সড়কে চলাচলকারী ট্রাক, জিপ (চাঁদের গাড়ি), সিএনজি ও মোটরসাইকেল চালকদের দাবি, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক থাকার পরেও ট্রাফিক পুলিশ নানা অজুহাতে তাদের হয়রানি করছে। সামান্য অজুহাতে বড় অঙ্কের মামলার ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা দাবি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে মাসিক বা দৈনিক ভিত্তিতে গাড়িপ্রতি নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। মাঝপথে গাড়ি থামিয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির নামে সময়ক্ষেপণ করায় সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, "সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি করে যা আয় করি, তার একটা বড় অংশ ট্রাফিক পুলিশকে দিয়ে দিতে হয়। টাকা না দিলে গাড়ি ডাম্পিং করার হুমকি দেওয়া হয়। আমরা এখন দিশেহারা।"

এদিকে উপজেলার কেয়াজুপাড়া এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের বেপরোয়া চাঁদা আদায় ও গাড়ি আটকের প্রতিবাদে সরই ইউনিয়নের শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষ সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর থেকে কেয়াজুপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনের সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ট্রাফিক পুলিশের এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে একদিকে যেমন পরিবহন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। নিয়মিত মালামাল পরিবহনকারী ব্যবসায়ীরাও এই চাঁদাবাজির কারণে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এদিকে লামা পৌরশহরে যানজট নিত্যদিনের সঙ্গী; যানজট নিরসনে নেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। ভুক্তভোগীরা এই হয়রানি বন্ধে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে লামা ট্রাফিক ইনচার্জ আশিক রায়হানের ০১৮৭৫৭৪১৭৩৫ নম্বরে কল করলে তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।