লামায় পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী নারী
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন

লামায় পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী নারী

লামায় পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী নারী
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী মৌজায় পৈতৃক ও নিজস্ব খরিদা সম্পত্তি জবরদখল, জালিয়াতি এবং টাকা আত্মসাতের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এক নারী।

ভুক্তভোগী মোছাম্মৎ মোসলিমা বেগম (পিতা: মৃত ইছহাক, ফাঁসিয়াখালী মৌজা, হোল্ডিং নম্বর- আর/১২৫১) তাঁর বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন ও অন্যান্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই জবরদখল ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ তোলেন।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে পিতা ইছহাকের মৃত্যুর পর বড় ভাই হিসেবে গিয়াস উদ্দিন সমস্ত পারিবারিক সম্পত্তির দেখাশোনা শুরু করেন। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে মোসলিমা বেগম ২০২৪ সালে ওয়ারিশ সূত্রে তাঁর প্রাপ্য অংশ এবং নিজের নামের ৪.০০ একর জমি দাবি করলে পারিবারিক কলহের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মোসলিমা বেগমের নিজের নামের উক্ত ৪.০০ একর জমিটি তাঁর বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক ভোগদখল করে আসছেন।

ভুক্তভোগী নারী জানান, ২০২৪ সালের ২৮ মার্চ পারিবারিক এক বৈঠকে মোসলিমা বেগমসহ তাঁর তিন ভাই-বোন (শাহনেওয়াজ খানম, ছরওয়ার আলম ও তানভীর ইসলাম রানা) প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনার পর একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৪ একর সম্পত্তি বড় ভাইয়ের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া এবং তার বিনিময়ে বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন মোসলিমা বেগমকে ৬৩ লাখ টাকা প্রদান করবেন বলে ৪৫ দিনের (১ মাস ১৫ দিন) একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর টাকার জন্য যোগাযোগ করা হলে গিয়াস উদ্দিন নানা ধরনের তালবাহানা শুরু করেন এবং একপর্যায়ে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে চকরিয়া ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন শিপু বিষয়টি আপস-মীমাংসার আশ্বাস দিলেও দুই বছরেও কোনো সমাধান করেননি, বরং অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে নানাভাবে হুমকি ও চাপ প্রয়োগ করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী মোসলিমা বেগম জানান, সম্পত্তির সমস্ত দলিল ও খাজনা তাঁর নিজের নামে থাকায় তিনি তৎকালীন লামা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২০২৫ সালের ২৪ জানুয়ারি উভয় পক্ষকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। শুনানিতে মোসলিমা বেগম ও তাঁর দুই ছেলে এবং প্রতিপক্ষ গিয়াস উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীরা (শাহনেওয়াজ খানম, ছরওয়ার আলম, তানভীর হোসেন রানা) উপস্থিত হয়ে এটি পারিবারিক বিষয় দাবি করে পুনরায় ২-৩ মাসের সময় চেয়ে নেন এবং পূর্বের ৬৩ লাখ টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসিল্যান্ডকে আশ্বাস দেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ৫ জন গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সার্ভেয়ার (আমিন) এবং লামার এক সাংবাদিক।

বর্তমানে এই জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোসলিমা বেগমের এক ছেলে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছেন। পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হওয়ায় এবং কাঙ্ক্ষিত জমিটি না পাওয়ায় তারা আরও বেশি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থকষ্টে ভুগছেন জানিয়ে মোসলিমা বেগম বলেন, পাওনা টাকা ও পৈতৃক সম্পত্তি ফেরত পেতে এবং মিথ্যা হয়রানি থেকে বাঁচতে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-সহ চকরিয়া ও লামা থানা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু বিচার কামনা করছি।

গিয়াস উদ্দিনের ছোট বোন শাহনেওয়াজ খানম বলেন, “পারিবারিক বৈঠকে জমি বিক্রি করে মোসলিমাকে ৬৩ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল, আপনারা বড় ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করুন।”

অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিন জানান, “আমরা জমি বিক্রির চেষ্টা করছি; জমি বিক্রি করতে পারলে টাকা দিয়ে দেবো। কিছুদিন আগেও ভাগিনা জিসান বিদেশ যাওয়ার সময় ৩ লাখ টাকা দিয়েছি।”




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।