লামায় বন্যাদুর্গতদের পাশে পৌর প্রশাসক মো.মঈন উদ্দিন, প্রশংসায় ভাসছেন সর্বস্তরে
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

লামায় বন্যাদুর্গতদের পাশে পৌর প্রশাসক মো.মঈন উদ্দিন, প্রশংসায় ভাসছেন সর্বস্তরে

লামায় বন্যাদুর্গতদের পাশে পৌর প্রশাসক মো.মঈন উদ্দিন, প্রশংসায় ভাসছেন সর্বস্তরে
ছবি সংগৃহীত।

সাম্প্রতিক সময়ে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে বান্দরবানের লামা উপজেলা ও পৌর এলাকা। চারদিকে থৈ থৈ পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষের হাহাকার আর আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছিল পুরো জনপদ। দুর্যোগের এমন কঠিন মুহূর্তে অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছেন লামা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন।

উদ্ধার কাজ থেকে শুরু করে ত্রাণ বিতরণ এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে তাঁর দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকা এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।

বন্যার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে যখন পুরো লামা শহর ও আশপাশের গ্রামগুলো প্লাবিত হতে শুরু করে, ঠিক তখনই পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পানিবন্দি অসহায় মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে নামানো হয় ৬টি উদ্ধারকারী নৌকা। পৌর প্রশাসক মো. মঈন উদ্দিন নিজে উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেন। তাঁর সরাসরি নির্দেশনায় শত শত পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। শুধু উদ্ধার করাই নয়, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ সুপেয় পানি ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তিনি দিনরাত কাজ করেন।

​দুর্যোগের পুরোটা সময় লামা পৌরসভার ১নং থেকে ৯নং ওয়ার্ডের প্রতিটি কোণায় কোণায় ছুটে গেছেন পৌর প্রশাসক। পৌরসভার নয়াপাড়া, চেয়ারম্যান পাড়া, হাসপাতাল পাড়া, কলিঙ্গাবিল, ছাগলখাইয়া, হরিণঝিরি ও শিলেরতুয়া সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তিনি নিজে উপস্থিত হয়ে দুর্গতদের হাতে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তার এভাবে সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এক ইতিবাচক ও মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

​ভয়াবহ এই বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েন লামা বাজারের ব্যবসায়ীরা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে কোটি কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হয়ে যায়। দুর্যোগের এই সংকটকালীন সময়ে ব্যবসায়ীদের পাশে গিয়ে দাঁড়ান পৌর প্রশাসক। লামা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বন্যায় যখন তারা সবকিছু হারিয়ে দিশেহারা, তখন প্রশাসকের সরাসরি উপস্থিতি, সান্ত্বনা এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস তাঁদের মনে নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস ও আস্থা জুগিয়েছে।

​বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর লামা বাজার জুড়ে জমে ওঠে টন টন কাঁদা মাটি আর উজান থেকে ভেসে আসা ময়লা-আবর্জনা। এতে বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের চলাফেরা অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পৌর প্রশাসক মো. মঈন উদ্দিনের নির্দেশে অতি দ্রুত বাজার পরিষ্কারের বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করা হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাজারের সমস্ত কাঁদা ও আবর্জনা অপসারণ করে লামা বাজারের চিরচেনা সৌন্দর্য ও ব্যবসায়িক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়।
এ জন্য দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পৌর প্রশাসকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

​জনজীবন স্বাভাবিক করতে সমন্বিত উদ্যোগ
​বন্যা-পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং জনজীবন দ্রুত স্বাভাবিক করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে পৌর প্রশাসন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ মেরামত এবং ভেঙে পড়া বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দ্রুত সচল করতে বিদ্যুৎ ও প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মো. মঈন উদ্দিন।

​পৌর প্রশাসক মো. মঈন উদ্দিন তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,"লামা পৌরসভার প্রতিটি নাগরিক আমার নিজের পরিবারের সদস্যের মতো। দুর্যোগের সময় অসহায় মানুষের পাশে থাকা শুধু আমার পেশাগত দায়িত্বই নয়, এটি আমার নৈতিক কর্তব্য। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে পৌর প্রশাসন সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। যতদিন না পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হচ্ছে, ততদিন আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।"

​লামার স্থানীয় সচেতন ও সুশীল মহলের মতে, দুর্যোগকালে প্রশাসনের এমন দ্রুত, সক্রিয় ও মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে সরকারের প্রতি আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও যেভাবে তিনি সাধারণ মানুষের সাথে মিশে গিয়ে সংকট মোকাবিলা করেছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।