লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ!
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন

লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ!

লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ!
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রোডপাড়াস্থ সাংবাদিক কাইছার হামিদ এর বাড়িতে দুর্র্ধষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।শনিবার(৬জুন) রাত ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

সাংবাদিক কায়সার হামিদের বাবা জানায়, ভোর ৪ টার দিকে প্রায় ৮/১০ জনের একটি ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তখন ৩ জন ডাকাত ছাদ বেয়ে উপরে উঠে বাড়িতে প্রবেশ করে। পরে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে আলমারি ভেঙ্গে নগদ ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা, লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার ও একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল নিয়ে যায়। তখন বাকী ডাকাতেরা ঘরের বাহিরের অবস্থান করে পার্শ্ববর্তী ঘরগুলোর গতিবিধি লক্ষ্য করছিল যাতে অন্যকোন মানুষ বের হতে না পারে।

সাংবাদিক কায়সার হামিদ জানায়, কর্মের সুবাদে তখন আমি সস্ত্রীক লোহাগাড়ার বাসায় অবস্থান করছিলাম। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা ছিলেন। তাদের কাছে গরু বিক্রি করা ক্যাশ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিল। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, রাত সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত আমি আজিজনগর পুলিশ ক্যাম্পের আইসিকে ১৫ বার কল দিয়েছি। তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে রাত ৪টা ১৫ মিনিটে জাতীয় সেবা সংস্থা ৯৯৯ কল দিলে তারা লামা থানার মাধ্যমে আজিজনগর আইসি’র সাথে কথা বলিয়ে দেয়। আজিজনগর পুলিশ সকাল সাড়ে ৭টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। আজিজনগর ক্যাম্প থেকে আমার বাড়ি ১ কিলোমিটার দূরত্বও হবেনা। এমন পুলিশি সেবায় আমরা হতবাক !  
সাংবাদিক কাইছার হামিদ লোহাগাড়া উপজেলার দৈনিক সমকাল পত্রিকার প্রতিনিধি ও লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে  অত্যন্ত ব্যস্ত ও জনবহুল এলাকায় দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সাংবাদিক নাজিম উদ্দিন রানা তার ফেইসবুক পোস্টে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ঘটনা চলাকালীন আজিজনগর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (আইসি)কে অন্তত ১০ বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, বরং বারবার কল কেটে দিয়েছেন. মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের এমন উদাসীনতা ও ব্যর্থতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা চলছে।

​মহাসড়কের পাশে সাংবাদিকের বাড়িতে এমন দুর্র্ধষ ডাকাতির ঘটনায় লোহাগাড়া ও বান্দরবানের সাংবাদিক সমাজ এবং স্থানীয় সচেতন মহল তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা অবিলম্বে এই ডাকাতির সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং দায়িত্বে অবহেলাকারী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আজিজনগর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (আইসি)আমিনুর রাহিম জানান,আমরাওতো মানুষ ভোররাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, পরে জানতে পেরে ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করি।

লামা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন,বিষয় শুনার সাথে সাথে তাদেরকে ঐ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।অসযোগিতার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ওসি বলেন, ফাঁড়ির ইনচার্জকে ইতোমধ্যে বিষয়টা নিয়ে বকাঝকা করা হয়েছে।তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।