লামায় স্মরণকালের বন্যায় মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: পুকুর ও ফিশারিতে ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন

লামায় স্মরণকালের বন্যায় মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: পুকুর ও ফিশারিতে ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা

লামায় স্মরণকালের বন্যায় মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: পুকুর ও ফিশারিতে ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ী ঢলে মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঢলের পানিতে ভেসে গেছে উপজেলার শত শত পুকুর ও ফিশারির মাছ। এতে চরম পুঁজি সংকটে পড়েছেন স্থানীয় মৎস্য চাষিরা।

উপজেলা মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মৎস্য খাতে ১৪৩টি পুকুর ও প্রকল্প বন্যার পানিতে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত সর্বমোট প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।​মাছ ও পোনা ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি পুকুর ও ফিশারির পাড় এবং অবকাঠামো ভেঙে চাষিরা এখন দিশেহারা।

​প্রায় ৩৭.৮২ হেক্টর জলাশয়ের মাছ ও পোনা ভেসে গেছে। প্রায় ৩৭ লক্ষ পিস বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ভেসে গেছে, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩৩ লক্ষ টাকা।
​পুকুরগুলোতে বাজারজাতকরণের উপযোগী মজুতকৃত মাছ ভেসে যাওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ৯৭.৫৮ লক্ষ টাকা।
ঢলের তোড়ে পুকুরের পাড় ভাঙন এবং ঘেরের নেট-পাটা ও অন্যান্য সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অবকাঠামোগত ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ টাকা।সব মিলিয়ে মৎস্য খাতে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১ কোটি ৪৩ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা।

​উপজেলার বন্যায় প্লাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে মৎস্য খাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে লামা পৌরসভা, লামা সদর ইউনিয়ন, রূপসীপাড়া, সরই এবং ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়নে। এসব এলাকার অধিকাংশ পুকুর পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে একাকার হয়ে যায়, যার ফলে চাষিরা কোনো মাছই রক্ষা করতে পারেননি।

​উপজেলার বেশ কিছু বৃহৎ এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল মৎস্য প্রকল্প এবারের বন্যায় লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত প্রজেক্টগুলো হলো মেসার্স আলম এগ্রো ফার্ম (লামা সদর)সিদ্দিকুল আলম ডনের এই বৃহৎ এগ্রো ফার্মের মৎস্য প্রকল্পটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে প্রকল্পের সব মাছ ভেসে গেছে।
লামা ফিসারী কমপ্লেক্স (হরিণঝিরি, পৌরসভা) আমির হোসেনের মালিকানাধীন এই ফিশারি কমপ্লেক্সটি লামা পৌরসভার অন্যতম প্রধান মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র ছিল। আকস্মিক ঢলে এই কমপ্লেক্সের লাখ লাখ টাকার মাছ ও পোনা ভেসে গেছে।
হারেছ মাল্টি ফার্ম (ধুইল্যাপাড়া,সরই) ধুইল্যাপাড়ার এই মাল্টি ফার্মটির মৎস্য ঘেরগুলোও বন্যার পানিতে সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে, যার ফলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এই উদ্যোক্তা।

​চাষিদের আর্তনাদ ও সরকারি সহায়তার দাবিতে ​স্থানীয় মৎস্য চাষিরা জানান, অনেকেই ব্যাংক ঋণ ও বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে মৎস্য চাষ শুরু করেছিলেন। কিন্তু মুহূর্তের বন্যায় তাদের সব স্বপ্ন পানিতে ভেসে গেছে। অবকাঠামোগত ক্ষতি কাটিয়ে নতুন করে পোনা ছাড়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য এখন অনেকেরই নেই।
​ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং মৎস্য খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের নিকট দ্রুত আপদকালীন আর্থিক প্রণোদনা ও সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার জোর দাবি জানিয়েছেন।

লামা উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো.আসাদুজ্জামান জানান,প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।​মাছ ও পোনা ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি পুকুর ও ফিশারির পাড় এবং অবকাঠামো ভেঙে চাষিরা এখন দিশেহারা। ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের জন্য যদি বরাদ্দ পাওয়া যায়, তবে ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনা করে সহযোগিতা করা হবে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।