শর্ত মেনে রেহাই, কিন্তু কাঠ পাচারের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে মাসুদ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

শর্ত মেনে রেহাই, কিন্তু কাঠ পাচারের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে মাসুদ

শর্ত মেনে রেহাই, কিন্তু কাঠ পাচারের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে মাসুদ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের রুমা উপজেলার রুমা বাজারে কোরবানিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে অভিযুক্ত মাসুদ রানা মাসুমকে সামাজিক বিচার-সালিশের মাধ্যমে আটটি শর্তে প্রথমবারের মতো ক্ষমা করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে মুসলিম সমাজের নেতারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখে কোরবানির বিষয়কে কেন্দ্র করে ফেসবুকে একাধিক উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার পাশাপাশি রুমা বাজারের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার এবং গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিলে স্থানীয় মুসলিম সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে বিচার-সালিশের আয়োজন করা হয়।

গত সোমবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রুমা বাজারে অনুষ্ঠিত বিচার-সালিশে অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে অভিযুক্ত মাসুদ রানা মাসুম তার আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করে লিখিত মুচলেকায় স্বাক্ষর করেন। পরে আটটি শর্ত মেনে নেওয়ার ভিত্তিতে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাকে প্রথমবারের মতো ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

বিচার-সালিশে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উ. নাইন্দিয়া ভিক্ষু, সাধন বড়ুয়া এবং উহ্লাচিং মারমা। তারা উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তিতে ভূমিকা রাখেন।

অভিযোগ আছে মাসুদ রানা মাসুম নিজেকে মাঝে মাঝে সাংবাদিক পরিচয়ে থাকেন আর মাঝে মাঝে কাঠ ব্যবসায়ীর সভাপতি নামে বিভিন্ন কাঠের গাড়ি থেকে চাঁদা উত্তোলন করেন।

এদিকে মাসুদ রানা মাসুমের বিরুদ্ধে নতুন করে আর্থিক অনিয়ম ও কাঠ পাচার সংশ্লিষ্ট গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, গত প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নাম ব্যবহার করে রুমা-বান্দরবান রুটে কাঠ পরিবহনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি খরচের তালিকা দেখিয়ে প্রতি গাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা করে আদায় করতেন। অথচ প্রকৃত খরচ ছিল প্রায় ১০ হাজার টাকা। বাকি অর্থ তিনি ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পিপলু মারমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “মাসুদ যে অনিয়ম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে আমাকে আগে অবহিত করা হয়নি। সে নিজ উদ্যোগে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে সেগুন খামারপাড়া এলাকায় জমি কেনা হয়েছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কাঠ ব্যবসায়ীদের একাংশ দাবি করেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবির নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত হওয়া জরুরি।

বিচার-সালিশে উপস্থিত ব্যবসায়ী ও সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা সকল নাগরিকের দায়িত্ব। কেউ যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা সমাজে বিভেদ সৃষ্টির মতো উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তার কামাল, জসীম উদ্দিন, মীর কাশেম, আব্দুল মোতালেব, সেলিম উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা।

তবে মাসুদ রানা মাসুমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, আত্মসাৎ ও কাঠ পাচার সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

ঘটনাটি ঘিরে জেলাও রুমা উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব বজায় রাখা সময়ের দাবি।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।