সাতকানিয়ায় ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচার ভিটার মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ

সাতকানিয়ায় আপন চাচার ভিটার মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। মাটি কেটে নেওয়ার কারণে চাচার ৪ তলা ভবন হেলে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ৩০ নভেম্বর সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর চাচা শব্বির আহমদ (৫৫) একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কচির পাড়ার মৃত সাঁচি মিয়ার পুত্র।
অভিযোগে তিনি তার ৩ ভাতিজা আবছার উদ্দিন (৪০), রায়হান উদ্দিন (৩৩) এবং মহিউদ্দিন (৩৮) কে বিবাদী করেছেন।
প্রদত্ত অভিযোগে জানা যায়, সাতকানিয়া উপজেলার ১০ নম্বর কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কচির পাড়ার বাসিন্দা শব্বির আহমদ (৫৫) এবং তার বড় ভাই খায়ের আহমদ (৫৮) পার্শ্ববর্তী দস্তিদার হাটে একটা ৪ তলা ভবন তৈরি করেন। ভবন তৈরির সময় তারা চার ফুট জায়গা খালি রাখেন। তারা ভবন তৈরির কিছুদিন পর ফোরখ আহমদের পুত্র আবছার উদ্দিন (৪০) উক্ত ভবনের পাশে কিছু জায়গা ক্রয় করেন। তিনি উক্ত জায়গায় ভবন তৈরির উদ্দেশ্যে পাইলিংয়ের জন্য শব্বির আহমদ ও খায়ের আহমদের জায়গার মাটিও কেটে ফেলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে ভবন ও বাউন্ডারি ওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় উক্ত বিবাদী আবছার তার অপর ভাইগণ ও অন্যান্য লোকজন নিয়ে হামলার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী শব্বির আহমদ বলেন, "আমরা আমাদের ভাতিজাকে শান্তিপূর্ণভাবে অনেক বুঝিয়েছি। সে সমাধানের পথে না আসায় নিরুপায় হয়ে ইউএনও মহোদয় বরাবর অভিযোগ দাখিল করতে বাধ্য হয়েছি। আশা করি তিনি উদ্যোগ নিলে বিষয়টার সঠিক সমাধান হবে।"
এ বিষয়ে ১ নম্বর বিবাদী আবছার উদ্দীনের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, "আমার চাচার ভবনের বাউন্ডারি ওয়াল ৩ বছর ধরে হেলে পড়েছিল। আমি ৩ মাস ধরে তাদেরকে উক্ত দেয়াল সরাতে বলেছি। তারা না সরানোতে আমাকে নিজের টাকা খরচ করে সরাতে হয়েছে। আমি আন্ডারগ্রাউন্ড রুম করব। তাদের সেই ওয়াল প্রয়োজন হবে না। আমরা কখনও কারো ক্ষতি করিনি। আগামীতেও করব না।











