সীমান্তে মিয়ানমারের ভেতরে বিকট বিস্ফোরণ, কাঁপছে নাইক্ষ্যংছড়ি ও টেকনাফ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সরকারি বাহিনীর চলমান সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছে সীমান্ত। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের ওপারে দফায় দফায় শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দে এপারের জনপদে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে বসতবাড়ি, নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক বাংলাদেশি জেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেরারমাঠ এলাকার ৪২ ও ৪৩ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তর থেকে পরপর তিনটি বিশাল বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসে। চেরারমাঠ এলাকার বাসিন্দা মো. ফয়েজ ও রহমান জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতায় এলাকা কেঁপে ওঠে। অন্যদিকে, টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া গোলাগুলি শুক্রবার সকালেও চলমান রয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার পর থেকে ওপারে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় মো. আলমগীর নামের এক বাংলাদেশি জেলে ওপার থেকে আসা গুলিতে বিদ্ধ হন। সীমান্তের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন।
বর্তমানে মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকা আরকান আর্মির দখলে থাকলেও জান্তা সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইনামুল হাফিজ নাদিম জানান, সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষকে নিরাপদে ও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।











