কক্সবাজার বায়তুশ শরফে ইছালে সওয়াব মাহফিলে শায়খ আবদুল হাই নদভী: মানবতার মুক্তির দিশা প্রদানে গাউছে পাক (রহ.)-এর আদর্শ অনু...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজার বায়তুশ শরফে ইছালে সওয়াব মাহফিলে শায়খ আবদুল হাই নদভী: মানবতার মুক্তির দিশা প্রদানে গাউছে পাক (রহ.)-এর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই

কক্সবাজার বায়তুশ শরফে ইছালে সওয়াব মাহফিলে শায়খ আবদুল হাই নদভী: মানবতার মুক্তির দিশা প্রদানে গাউছে পাক (রহ.)-এর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই
ছবি সংগৃহীত।

মানবতার মুক্তির দিশা প্রদানে গাউছে পাক হযরত শায়খ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বায়তুশ শরফের রাহবার আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী।

তিনি বলেন, হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.) প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ পূর্ণরূপে অনুসরণ করতেন। তাঁর জীবন ও শিক্ষা মানবতার কল্যাণ, আত্মশুদ্ধি ও মানুষের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

২৫ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই ইয়াজদাহুম উপলক্ষে কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স আয়োজিত পবিত্র ইছালে সওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বায়তুশ শরফের পীর সাহেব এসব কথা বলেন।

আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী বলেন, বায়তুশ শরফের দরবার কাদেরিয়া তরিকার ভিত্তিতে পরিচালিত। এর সঙ্গে নকশবন্দিয়া-মুজাদ্দিদিয়া ও মুহাম্মদিয়া তরিকার শিক্ষাও যুক্ত হয়েছে। প্রায় তিন বছর আগে আল্লামা সাইয়্যেদ সালমান হুসাইন নদভী (রহ.) তাঁকে বিভিন্ন তরিকার সবক, খেলাফত এবং হাদিসের সনদ প্রদান করেন।

প্রধান অতিথি বলেন, গাউছে পাক হযরত শায়খ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.) ৫৬১ হিজরির ১১ রবিউস সানি ইন্তেকাল করেন। এ কারণে প্রতি বছর ১১ রবিউস সানি ফাতেহা-ই ইয়াজদাহুম উপলক্ষে ইছালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

গাউছে পাকের জন্ম ও শৈশবের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, গাউছে পাক ১ রমজান পৃথিবীর বুকে তাশরিফ আনেন। শৈশব থেকেই তাঁর জীবনে অসাধারণ আধ্যাত্মিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে। মক্তবে উপস্থিত হলে তাঁর জন্য কুদরতিভাবে বসার স্থান তৈরি হয়ে যেত বলে বর্ণনা রয়েছে। পরবর্তীতে তিনি পবিত্র কুরআনের ১৮ পারা মুখস্থ করেন এবং বাগদাদে গিয়ে দ্বীনি শিক্ষা, হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্রে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন।

তিনি আরও বলেন, গাউছে পাকের শিক্ষা ছিল মানুষের কল্যাণ ও সেবার শিক্ষা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কাদেরিয়া তরিকার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মানবসেবা ও মানবতার সার্বিক কল্যাণ সাধন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে বর্তমান সময়েও বিভিন্ন পীর-মুর্শিদ হাসপাতাল, একাডেমি, এতিমখানা, মাদ্রাসা ও সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

রাহবারে বায়তুশ শরফ শায়খ আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী (মা.জি.আ.) বলেন, বর্তমান সমাজে আমাদের যুবকরা ইসলামী জ্ঞান অর্জন থেকে অনেকটাই পিছিয়ে গেছে। তাই তাদের ইসলামী জ্ঞান অর্জনে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।

আমরা যদি সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর করতে চাই, ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং একটি উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে চাই, তাহলে যুবসমাজকে ইসলামী জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে হবে। এজন্য যুবকদের কোরআন-হাদিস ও ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাঁর লেখা অনেক ইসলামী বই রয়েছে, যেগুলো যুবকদের ইসলামী জ্ঞান অর্জনে সহায়ক হতে পারে।

তিনি সমাজের আলেম-ওলামা ও অভিভাবকদের প্রতি যুবসমাজকে ইসলামী জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বায়তুশ শরফের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার প্রসঙ্গে রাহবারে বায়তুশ শরফ বলেন, সারা দেশে কেন্দ্রীয় বায়তুশ শরফসহ সাত শতাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। মাহফিলে পবিত্র দরুদ শরিফের তাৎপর্যের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়।

দুই দিনব্যাপী মাহফিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক ও শিক্ষাবিদ এম এম সিরাজুল ইসলাম।

বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদের ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক কাজী মাওলানা শিহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজার বায়তুশ শরফ মসজিদের সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুকের যৌথ সঞ্চালনায় মাহফিলে চলতি বছর হিফয সম্পন্নকারী ১৭ জন কুরআনের পাখিকে পাগড়ি (দস্তারবন্দী) প্রদান করা হয়।

মাহফিলে বক্তব্য দেন মাওলানা মামুনুর রশীদ নূরী, অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজুল হক নেজামী, অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হক আল-আজহারী, অধ্যক্ষ মাওলানা ফারুক হোসাইন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবু সালেহ মুহাম্মদ ছলীমুল্লাহ, ড. মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ মঈন, মাওলানা রিদওয়ানুল হক, মাওলানা মুহিব্বুর রহমান, মাওলানা লোকমান হাকীম সাহেদী, মাওলানা শরিয়ত উল্লাহ হোসাইনী, মাওলানা জিয়াউল হক আনসারী, মাওলানা মুহাম্মদ আবু ওসমান, মাওলানা এস এম ফোরকান, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মান্নান শামসী, মাওলানা আবু আইয়ূব আনসারী, হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা লোকমান, মাওলানা জিয়াউল করিম প্রমুখ।

ইছালে সওয়াব মাহফিলে খতমে কুরআন, খতমে খাজেগান, অসংখ্যবার দরুদ শরিফ পাঠ ও খতমে বুখারি শরিফসহ বিভিন্ন আমলের পর বাদ মাগরিব জিকির মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ ও জিকিরের মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

পরবর্তী দিনে তওবা-ইস্তিগফার, বাইআত ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলের শেষ পর্যায়ে দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়।




টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা পাচারকালে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোররাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান চালায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আটক যুবক উখিয়া থানাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৪, ব্লক-৬-এর বাসিন্দা নুরু বশরের ছেলে সৈয়দ কবির (২৫)।

বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি চালান আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী ওবিএম পোস্ট-১ সংলগ্ন সুইচগেটের নিকটবর্তী নুর মোহাম্মদের মাছের ঘের নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে এক ব্যক্তিকে হাতে ব্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবির সন্দেহ হয়।

বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩ কার্টন অর্থাৎ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সৈয়দ কবির স্বীকার করেন যে, সে উক্ত ইয়াবা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে কম দামে কিনে বাংলাদেশে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিল।

এ বিষয়ে ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

আটক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।




শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরীর একটি বিশেষ দল শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালীন ওই এলাকায় একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পাচারকারীরা নৌকাটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি খুলে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, জব্দ করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।




ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসান (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চকরিয়া থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড়ভাই কাইছার হামিদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলায় রাজিয়া সুলতানা কে প্রধান আসামী করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। নিহত জিসান উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক।

মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই কাইছার হামিদ বলেন,এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে জিসানকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। আমরা এজাহারে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি,অবিলম্বে এই চিহ্নিত খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমার ভাই হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশন এলাকা থেকে একদল দুর্বৃত্ত জিসানকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের চার ঘণ্টা পর সোমবার ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ,জিসানকে চকরিয়া পৌরসভা ৪ নম্বর ওয়ার্ড সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি বলেন,জিসান সংগঠনের একজন উদীয়মান নেতা ছিলেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে সাধারণ ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে চকরিয়ার রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান,মামলা রুজু হওয়ার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।