ঈদগড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন এসআই খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন

ঈদগড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন এসআই খোরশেদ

ঈদগড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন এসআই খোরশেদ
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খোরশেদ আলম দায়িত্ব পালনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদগড় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন এসআই খোরশেদ আলম।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, কোনো ঘটনা বা সমস্যার বিষয়ে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার চেষ্টা করছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সচেতন মহলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন।

স্থানীয়রা আরও বলেন, পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বাড়ানো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে এলাকার মানুষ আরও নিরাপদ পরিবেশ পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

এসআই খোরশেদ আলম বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের পবিত্র দায়িত্ব। জনগণের সহযোগিতা নিয়ে ঈদগড়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ঈদগড়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ-জনগণের সমন্বিত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ঈদগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আহমদ হোসেন বিপ্লব, সদস্য সচিব আহসান উল্লাহ, সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আজিম রিপন, কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নুরুল হক, সদস্য সচিব ফারুক হোসেন জোসেপ এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জানান, এসআই খোরশেদ আলম ঈদগড়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি তিনি মাদক নির্মূলে এলাকার সর্বস্তরে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

তাছাড়া তিনি একজন সৎ, সাহসী ও দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা। তাঁর বিচক্ষণতায় এলাকার অনেক দাগি আসামি পুলিশের জালে আটকা পড়ছেন।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে এসআই খোরশেদ আলম ঈদগড়-টুঠারবিল এলাকার গহিন বনে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র তৈরির কারখানাসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও অস্ত্র উদ্ধার করেন।




টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা পাচারকালে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোররাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান চালায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আটক যুবক উখিয়া থানাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৪, ব্লক-৬-এর বাসিন্দা নুরু বশরের ছেলে সৈয়দ কবির (২৫)।

বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি চালান আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী ওবিএম পোস্ট-১ সংলগ্ন সুইচগেটের নিকটবর্তী নুর মোহাম্মদের মাছের ঘের নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে এক ব্যক্তিকে হাতে ব্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবির সন্দেহ হয়।

বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩ কার্টন অর্থাৎ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সৈয়দ কবির স্বীকার করেন যে, সে উক্ত ইয়াবা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে কম দামে কিনে বাংলাদেশে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিল।

এ বিষয়ে ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

আটক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।




শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরীর একটি বিশেষ দল শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালীন ওই এলাকায় একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পাচারকারীরা নৌকাটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি খুলে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, জব্দ করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।




ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসান (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চকরিয়া থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড়ভাই কাইছার হামিদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলায় রাজিয়া সুলতানা কে প্রধান আসামী করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। নিহত জিসান উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক।

মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই কাইছার হামিদ বলেন,এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে জিসানকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। আমরা এজাহারে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি,অবিলম্বে এই চিহ্নিত খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমার ভাই হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশন এলাকা থেকে একদল দুর্বৃত্ত জিসানকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের চার ঘণ্টা পর সোমবার ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ,জিসানকে চকরিয়া পৌরসভা ৪ নম্বর ওয়ার্ড সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি বলেন,জিসান সংগঠনের একজন উদীয়মান নেতা ছিলেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে সাধারণ ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে চকরিয়ার রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান,মামলা রুজু হওয়ার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।