মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে: সাচিং প্রু জেরী
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে: সাচিং প্রু জেরী

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে: সাচিং প্রু জেরী
ছবি সংগৃহীত।

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী ও কক্সবাজার জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে ভৌগোলিক পার্থক্য থাকলেও সামাজিকভাবে কোনো পার্থক্য নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামের পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার দায়িত্বও আমাকে দিয়েছেন। সম্প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থান ও বৈষম্যহীন উন্নয়ন নিশ্চিত এবং জেলার মানুষের সমস্যা সমাধানে সাধ্যমতো চেষ্টা করব।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কক্সবাজারের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার (জেইউসি)-এর যৌথ সভায় মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার ও বান্দরবানসহ দেশের পর্যটন খাতকে আরও এগিয়ে নিতে এবং পর্যটনকে দেশ-বিদেশে জনপ্রিয় করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। কক্সবাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মাদক প্রসঙ্গে সাচিং প্রু জেরী বলেন, মাদক এখন গোটা জাতিকে ধ্বংস করছে। সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ইতোমধ্যে পাড়া-মহল্লায় মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পার্বত্যমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের সব সংসদ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে পরামর্শ করে জেলার দায়িত্ব পালনে কাজ করবেন। মাদক প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা, সম্প্রীতি ও উন্নয়নকে সামনে রেখে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে সাংবাদিক, আইনজীবী, প্রশাসনসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, কক্সবাজারের উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি জেলার সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরার আহ্বান জানান।

মন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তার সবগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বিশেষ করে মাদক, আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান তিনি।

প্রেসক্লাবের সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও কক্সবাজারের ভূমিপুত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পরিকল্পিত কক্সবাজার উন্নয়ন কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী বলেন, জেলার সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরে আসছেন। এসব বিষয়ে প্রশাসন ও সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার (জেইউসি)-এর সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আপনি কক্সবাজারেরও মন্ত্রী, আপনি আমাদের আপনজন। কক্সবাজারের সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নে আপনি অভিভাবক হিসেবে জেলার সমস্যাগুলো দেখবেন এবং বিবেচনা করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সাংবাদিক এম আর মাহবুব-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দৈনিক ইনকিলাবের বিশেষ সংবাদদাতা শামসুল হক শারেক, অ্যাডভোকেট আবু ছিদ্দিক ওসমানী, ইকরাম চৌধুরী টিপু, এস. এম. জাফর ও সৈয়দ আলম।

এ সময় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমদ, মন্ত্রীর প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা কক্সবাজারের পর্যটন ও উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করার দাবি জানান। তারা বলেন, ২০১৩ সালে প্রণীত পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সংক্রান্ত আইন ও বিধিনিষেধের কারণে কক্সবাজারের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও পর্যটন বিকাশে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ রয়েছে। বক্তারা আইন ও বিধিনিষেধের অপব্যবহারের অভিযোগও তুলে ধরেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় করে বাস্তবভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

সভায় কক্সবাজারের মাদক নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, পর্যটন বিকাশ, পরিবেশ সংরক্ষণ, যোগাযোগব্যবস্থা, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, গত আগস্টে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীকে কক্সবাজার জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।




টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা পাচারকালে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোররাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান চালায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আটক যুবক উখিয়া থানাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৪, ব্লক-৬-এর বাসিন্দা নুরু বশরের ছেলে সৈয়দ কবির (২৫)।

বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি চালান আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী ওবিএম পোস্ট-১ সংলগ্ন সুইচগেটের নিকটবর্তী নুর মোহাম্মদের মাছের ঘের নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে এক ব্যক্তিকে হাতে ব্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবির সন্দেহ হয়।

বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩ কার্টন অর্থাৎ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সৈয়দ কবির স্বীকার করেন যে, সে উক্ত ইয়াবা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে কম দামে কিনে বাংলাদেশে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিল।

এ বিষয়ে ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

আটক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।




শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরীর একটি বিশেষ দল শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালীন ওই এলাকায় একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পাচারকারীরা নৌকাটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি খুলে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, জব্দ করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।




ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসান (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চকরিয়া থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড়ভাই কাইছার হামিদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলায় রাজিয়া সুলতানা কে প্রধান আসামী করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। নিহত জিসান উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক।

মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই কাইছার হামিদ বলেন,এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে জিসানকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। আমরা এজাহারে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি,অবিলম্বে এই চিহ্নিত খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমার ভাই হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশন এলাকা থেকে একদল দুর্বৃত্ত জিসানকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের চার ঘণ্টা পর সোমবার ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ,জিসানকে চকরিয়া পৌরসভা ৪ নম্বর ওয়ার্ড সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি বলেন,জিসান সংগঠনের একজন উদীয়মান নেতা ছিলেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে সাধারণ ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে চকরিয়ার রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান,মামলা রুজু হওয়ার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।