ঈদগাঁও রেঞ্জের উদ্যোগে বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

হাতির সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও সংরক্ষিত বনাঞ্চলে খাদ্যসংকটসহ নানা কারণে হাতি লোকালয়ে চলে আসছে। হাতির চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা, আবাসস্থল ধ্বংস না করা, হাতি না মারা এবং হাতির কাছাকাছি গিয়ে ছবি বা ভিডিও ধারণ করে জীবনের ঝুঁকি না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বন কর্মকর্তারা।
১২ আগস্ট সকালে বিশ্ব হাতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজারের ঈদগাঁও রেঞ্জের উদ্যোগে আয়োজিত র্যালি ও আলোচনা সভায় বন কর্মকর্তারা এসব কথা বলেন।
নাপিতখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ ও ঈদগাঁও উপজেলা বন বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক নুর হোছাইন নুরী।
ঈদগাঁও রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. উজ্জ্বল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক রাশিক আহসান, ঈদগড় রেঞ্জ কর্মকর্তা তৌকির হাসান হৃদয়, ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কুদ্দুসুর রহমান, ভোমরিয়াঘোনা বিট কর্মকর্তা ফরহাদ বিন বেলাল, ঈদগড় বিট কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম মিয়াজি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ফুলছড়ি ও ঈদগাঁও রেঞ্জের কর্মচারী, ভিলেজার, ইআরটি দলের সদস্য, হেডম্যানসহ বিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
ঈদগাঁও রেঞ্জ কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসাইন বলেন, ‘নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় হাতিকে বাঁচাতে হবে। মানুষের প্রয়োজনেই বন উজাড় করা হয়েছে। ফলে হাতির প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও খাবারের উৎস সংকুচিত হচ্ছে। তাই হাতির আবাসস্থল রক্ষা এবং বন সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
ঈদগড় রেঞ্জ কর্মকর্তা তৌকির হাসান হৃদয় জানান, হাতি দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ। হাতি রক্ষা করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই হাতিকে কোনোভাবেই মেরে ফেলা যাবে না; সবাইকে মিলেমিশে হাতি বাঁচাতে হবে।
আলোচনা সভার আগে ‘বিশ্বজুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে শিক্ষার্থী, বন বিভাগের কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বনের ওপর নির্ভরশীল উপকারভোগীরা অংশ নেন।











