নাইক্ষ্যংছড়িতে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল দুই দোকান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মালামালসহ দুটি দোকান। একই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি বাসাবাড়িও। তবে অলৌকিকভাবে ও স্থানীয়দের চেষ্টায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে একটি দুগ্ধ খামার।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের আদর্শগ্রাম এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শী সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির একজন কর্মচারী। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় পৌনে ৪টার দিকে (৩টা ৪০ মিনিট) হঠাৎ তাঁর ঘুম ভাঙে। তখনই আগুন দেখতে পেয়ে তিনি প্রথম ফোন দেন তাঁর বাসার পার্শ্ববর্তী দোকানদার গোলাম কিবরিয়াকে। ওই দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা পার্শ্ববর্তী হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
ততক্ষণে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং নাইক্ষ্যংছড়ি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এরই মধ্যে গোলাম কিবরিয়ার দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদুল আলম জানান, আগুনে গোলাম কিবরিয়ার মুদির দোকান ও হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানের সব মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। একই সাথে বাসার দুই ভাড়াটে সাহাবুদ্দিন ও চুই চা মং মারমার বাসার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল সংলগ্ন স্থানীয় খামারি মোহাম্মদ ইসলামের গরুর একটি বড় খামার লোকজনের সহযোগিতায় অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার গোলাম কিবরিয়া এই প্রতিবেদককে বলেন, "আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা আমি বলতে পারছি না। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আমার দোকানের তালা খোলেন। আমার আনুমানিক ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।"
অন্যদিকে হামিদ খলিফা জানান, তাঁর আনুমানিক ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাসাবাড়ির দুই বাসিন্দাও জানান যে তাঁদেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনার পরপরই উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।













