মিরসরাই-হেঁয়াকো সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি, যুবদল কর্মীসহ আটক ৩
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন

মিরসরাই-হেঁয়াকো সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি, যুবদল কর্মীসহ আটক ৩

মিরসরাই-হেঁয়াকো সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি, যুবদল কর্মীসহ আটক ৩
ছবি সংগৃহীত।

ফেনী-রামগড় বাইপাস সড়কের (উত্তর ফটিকছড়ি-মিরসরাই) নয়টিলা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে যুবদল কর্মীসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সঁপে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। এ সময় আরও কয়েকজন পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে হেঁয়াকোর অদূরে নয়টিলা মাজার এলাকায় পাহারারত স্থানীয় জনতা সন্দেহজনকভাবে অবস্থান নেওয়া কয়েকজনকে ঘেরাও করেন। এ সময় তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আটক তিনজনের মধ্যে একজন ফটিকছড়ি উপজেলার বাগানবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী আনোয়ার হোসেন বাদশা। তার বাবার নাম মিয়া। অপর দুজন মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফটিকছড়ি-মিরসরাই সড়কের নয়টিলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। এতে ওই সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ডাকাতি রোধে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে রাতে পাহারা দিয়ে আসছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজনকে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখে স্থানীয়রা তাদের ঘেরাও করেন। এ সময় তিনজনকে আটক করা সম্ভব হলেও কয়েকজন পালিয়ে যায়।

পরে খবর পেয়ে মিরসরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক তিনজনকে থানায় নিয়ে যায়।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত কিছুদিন ধরে বৃহত্তর ফটিকছড়ির বিভিন্ন সড়ক ও গ্রামে চুরি-ছিনতাই বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো সড়ক বা বাড়িঘরে চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।




জামায়াতের কর্মকাণ্ডে দ্বিচারিতা স্পষ্ট: রাশেদ খাঁন

জামায়াতের কর্মকাণ্ডে দ্বিচারিতা স্পষ্ট: রাশেদ খাঁন
ছবি সংগৃহীত।

জামায়াতে ইসলামী মুখে সরকারকে সহযোগিতার কথা বললেও বাস্তবে সরকারকে ব্যর্থ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। ইসলামী মূল্যবোধ কীভাবে প্রচার করতে হয়, তা হেফাজতে ইসলামের কাছ থেকে জামায়াতের শেখার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বাবুনগর এলাকায় আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ পরামর্শ দেন। রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত মুখে এক কথা বললেও তাদের কার্যক্রমে পরস্পরবিরোধিতা স্পষ্ট। বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্যের ভাষার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। জামায়াতকে উদ্দেশ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ইসলামের মূল্যবোধ কীভাবে প্রচার করতে হয়, তা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কাছ থেকে আপনারা শিখুন। আপনারা ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ থেকে অনেক দূরে সরে গেছেন। এটি জামায়াতের কাছ থেকে দেশের জনগণ প্রত্যাশা করে না। তিনি আরও বলেন, একদিকে ইসলামের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে জামায়াতের কার্যক্রম ও কথাবার্তায় দ্বিচারিতা স্পষ্ট। আগামী ডিসেম্বর মাসে সরকারকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চক্রান্ত প্রতিহত করতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা রাজপথে থাকবেন।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও দেশের জনগণের দাবিকে সামনে রেখে হেফাজতে ইসলাম সবসময় কাজ করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ইসলামী মূল্যবোধের চর্চা করতে গিয়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শাপলা চত্বরের ঘটনার কথাও সবাই জানেন। তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ, নেতাকর্মী ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এতটুকু বলতে পারি—বিএনপি সরকার হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের ওপর পরিচালিত কথিত গণহত্যা এবং শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সাক্ষাৎকালে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাফল্য ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সব ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। এ সময় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাহবুবের রহমান শামীম, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




ফটিকছড়িতে ফসল ঘরে তোলার আগেই সর্বনাশ, ঋণের চাপে কৃষক

ফটিকছড়িতে ফসল ঘরে তোলার আগেই সর্বনাশ, ঋণের চাপে কৃষক
ছবি সংগৃহীত।

সবজি বাজারে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আশিষ চন্দ্র দাশ। ১৬ কানি জমিতে পেঁপে, শসা, বেগুন, মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, আলু ও মরিচসহ বিভিন্ন আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করেছিলেন তিনি। লক্ষ্য ছিল মৌসুমের শুরুতেই ফসল বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়া। চাষাবাদে নিজের পুঁজির পাশাপাশি ব্র্যাক থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন আশিষ। সব মিলিয়ে তাঁর বিনিয়োগ ছিল প্রায় নয় লাখ টাকা।

কিন্তু ফসল বিক্রির আগেই আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে তাঁর অধিকাংশ আবাদ। মাসের পর মাসের শ্রম ও বিনিয়োগ এখন পানির সঙ্গে ভেসে গেছে। আশিষ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত প্রায় এক লাখ টাকার সবজি বিক্রি করতে পেরেছি। এরপরই পাহাড়ি ঢল এসে অধিকাংশ আবাদ নষ্ট করে দিয়েছে। এখন পাঁচ লাখ টাকার ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব, সেটিই বড় চিন্তা।’

আশিষের মতো একই পরিস্থিতিতে পড়েছেন ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের দুই শতাধিক কৃষক। তাঁদের কেউ সঞ্চয়ের টাকা, কেউ এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আগাম সবজি চাষ করেছিলেন। ফসল বিক্রি করে লাভ করার বদলে এখন তাঁদের ক্ষতির হিসাব কষতে হচ্ছে।

কাঞ্চননগরের হলিপাড়া এলাকার কৃষক মোহাম্মদ সুমন ও মুরশেদ আলম লালশাক, লাউ ও মিষ্টিকুমড়া চাষ করেছিলেন। পাহাড়ি ঢলে তাঁদের আবাদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাল্লানপাড়া চরের কৃষক মো. রফিক আগাম সবজি চাষের জন্য এনজিও থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তিনখানি জমিতে চাষ করেছিলেন। ধুরুং খালের চরে তাঁর জমিগুলো পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেঙে ও তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কৃষক মকবুল আহমেদ প্রায় আড়াই কানি জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করেছিলেন। ঢলের পানিতে তাঁর আবাদি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সিরাজুল হক, মো. কাসেম, শংকর দাশ, স্বপন দাশ ও সুজিতসহ অনেক কৃষক এবার আগাম সবজি চাষে অর্থ ও ঋণ বিনিয়োগ করেছিলেন। তাঁদের কারও ঋণ ৩০ হাজার, কারও ৪০ বা ৫০ হাজার, আবার কারও দুই লাখ টাকা পর্যন্ত।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ও বুধবারের আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে কাঞ্চননগরের মানিকপুর থেকে কাঞ্চননগরহাট পর্যন্ত ধুরুং খালের দুই পাড়ের চরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে আগাম রবি ও শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছিল। ঢলের পানিতে এসব জমির বড় অংশের ফসল নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দুই শতাধিক কৃষক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক বলেন, ‘গত দুই দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কাঞ্চননগরের মানিকপুর থেকে পাইন্দংয়ের বেড়াজালী পর্যন্ত প্রায় ১০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও কোথাও আগাম সবজি ও বিক্রয় উপযোগী ফসল বালির নিচে চাপা পড়েছে। অনেক জমিতে দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত বালি জমেছে। প্রাথমিক হিসাবে এ অঞ্চলে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাঁদের সহায়তা ও প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, ‘পাহাড়ি ঢলে কাঞ্চননগর এলাকার কয়েক শ কৃষকের আগাম সবজি চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’




ফটিকছড়িতে দুই মন্দিরে চুরির রহস্য উদ্‌ঘাটন, চার গ্রেপ্তার; মালামাল, নগদ টাকা ও সিএনজি উদ্ধার

ফটিকছড়িতে দুই মন্দিরে চুরির রহস্য উদ্‌ঘাটন, চার গ্রেপ্তার; মালামাল, নগদ টাকা ও সিএনজি উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

ফটিকছড়িতে পৃথক দুটি মন্দিরে চুরির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে চুরি হওয়া বিভিন্ন মালামাল, নগদ টাকা ও চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

পুলিশ জানায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের সার্বজনীন শ্রী শ্রী শিব ও মগধেশ্বরী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টার দিকে লেলাং ইউনিয়নের শ্রী শ্রী মা মঙ্গল চণ্ডী মন্দিরেও চুরি হয়। পৃথক এসব ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় মামলা করা হয়।

ঘটনার পর ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার দাউদকান্দির মো. ইউসুফ (৩২), ফটিকছড়ির উত্তর ধুরুং এলাকার মো. হাশেম (৪২), ফটিকছড়ি পৌরসভার উত্তর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার মো. সাহাব উদ্দিন (৪১) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার চন্দ্রপুর এলাকার রুহুল আমিন (২৯)। রুহুল আমিন বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার ষোলশহর আই কলোনিতে বসবাস করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে তিনটি পিতলের ঘট, দুটি পিতলের পঞ্চপ্রদীপ, দুটি ত্রিশূল, একটি পিতলের ঘণ্টা, ছয়টি পিতলের সরই, ছয়টি স্টিলের ছোট-বড় প্লেট, দুটি চামচ, একটি পিতলের বড় ঘট, দুটি পিতলের কোষা, একটি বদনা, একটি কাঁসার গামলা, একটি গ্লাস, ছয়টি পিতলের ছোট থালা, একটি আরতি, একটি দুর্গামূর্তি ও চারটি পিতলের বাটি।

এ ছাড়া প্রণামী বাক্সে থাকা ১ হাজার ২০০ টাকা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের দানবাক্সসহ অন্যান্য মালামাল চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, চুরির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে চুরি প্রতিরোধে নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে।